বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বাড়তি শুল্ক আরোপের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
‘আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগানো হবে’বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন,“এই মুহূর্তে তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়েই আমরা এ সংকট সমাধানের পথ খুঁজে নেব।”
তিনি আরও জানান, আমদানি বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর চেষ্টা চলবে। পাশাপাশি, তৈরি পোশাক খাত যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়—সে দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। বরং এই পরিস্থিতিতে নতুন সম্ভাবনারও জন্ম হতে পারে, বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটেটিভ ড. খলিলুর রহমান বলেন,“যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেই এই শুল্ক ইস্যুতে সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।”
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টারা,শীর্ষস্থানীয় অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ।
প্রেক্ষাপট: কী ঘটেছে?
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর আওতায় বাংলাদেশের পণ্যের ওপর গড়ে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
এটি দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য বড় ধরনের একটি ধাক্কা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
কালের সমাজ//এ.জে
আপনার মতামত লিখুন :