দীর্ঘ চারদিন প্রচেষ্টার পর অবশেষে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিছট পয়েন্টের রিং বাঁধটির কাজ প্রাথমিকভাবে শেষ হয়েছে। বাঁধের ওপরে সেকেন্ড লেয়ার ও থার্ড লেয়ারের কাজ শেষ হতে আরো দুদিন লাগবে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন।
এরপর সেখানে মাটি ফেলার কাজ করে বাঁধটি স্থায়ী রুপ দেয়া হবে।
এর ফলে আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট, নয়াখালী, বাসুদেবপুর, বল্লভপুর, চেচুয়া, কাকবাসিয়া ও আনুলিয়ার কিছু এলাকা রক্ষা পেয়েছে।
তবে বাঁধটি আপাতত সংস্কার হলেও এলাকাবাসীর দাবি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের। সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধটি ঈদের দিন ভেঙে যায়।
প্রথম দফা চেষ্টা করেও বাঁধটি সংস্কার করতে ব্যর্থ হয়। পরে গত তিনদিন ধরে পানি উন্নয়ন বোর্ড, বলগেট মেশিনের সাহায্যে বার্জের মাধ্যমে জিও টিউব ব্যাগে বালি ভরে বাঁধটি নির্মাণ কাজ শুরু করে। ভাঙন এলাকার তিনশ` মিটার এলাকাজুড়ে রিং বাঁধের কাজটি গতকাল দুপুর নাগাদ প্রাথমিকভাবে শেষ হয়েছে।
৫ এপ্রিল, শনিবার সকাল থেকে সেকেন্ড লেয়ার ও থার্ড লেয়ারের কাজ শুরু হয়েছে।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন জানান, ভাঙন কবলিত এলাকার ৩২০ মিটার এলাকাজুড়ে রিংবাধ দেয়া হয়েছে। পূরা কাজ শেষ হলে সেখানে এলাকাটি সুরক্ষিত হবে।
উল্লেখ্য, ঈদের দিন সকালে পাউবো বিভাগ-২ এর আওতাধীন ৭/২ পোল্ডারের বিছট গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আব্দুর রহিম সরদারের মৎস্য ঘেরের বাসার কাছ থেকে প্রায় দুই’শ ফুট এলাকা জুড়ে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে পানি ঢুকে সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়। ক্ষতি হয় অনেক মাছের ঘের, কাঁচা ঘরবাড়ি, ধান ক্ষেত ও ফসলের মাঠ।
কালের সমাজ//এ.জে
আপনার মতামত লিখুন :