কয়রা ও মহারাজপুর ও মদিনা বাদ বিলের পানি নিষ্কাশনের খালে বালি ভরাট দিয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ করেছে স্থানীয় এনছার আলী সানা নামে এক ব্যক্তি । প্রতিবছর দুই হাজার বিঘা জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে জলবদ্ধতায়। প্রতিকার চেয়ে জমির মালিক মহারাজপুর ইউনিয়নের মোস্তফা শামীম আহমেদ মুকুল মোঃ মনিরুল সানা কয়রা মদিনাবাদ গ্রামের মুজিবুর রহমান বাদি হয়ে কয়রা উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন।
সরজমিনে গেলে স্থানীয় কৃষকরা জানান ব্রিটিশ আমল থেকে বর্ষা মৌসুমে বৃহত্তর মহারাজপুরের পানি বড় দেউলিয়া খাল হয়ে শাকবাড়িয়া নদীতে যেত। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে বড় দেউলিয়ার খালে সংযোগ স্থানে বাঁধ নির্মাণ করে পরে বালি ভরাট দিয়ে কতিপয় ব্যক্তি পানি সরবরাহের খাল বন্ধ করে দিয়ে ঘর বাড়ি নির্মাণ করছে। ফলে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে প্রায় দুই হাজার বিঘা জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক। এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলেন আষাঢ়, শ্রাবণে, ধান রোপনের কথা থাকলেও জলবদ্ধতার কারণে আশ্বিনে ধান রোপন করতে হয়। তাই জমিতে বিঘা প্রতি সর্বোচ্চ ৫ থেকে ৭ মন ধান পেয়ে থাকি অথচ ১০ বছর আগে এই জমিতে ২০ থেকে ২৫ মন ধান হত। স্থানীয় লোকজন বলেন রান্না খালি খালটি বন্দোবস্ত নিয়ে দলিলের সত্য ভঙ্গ করে সেখানে বাদ দিয়ে বিলের পানি নিষ্কাশন বন্ধ করে ।ফলে বর্ষা মৌসুমে মদিনাবাদ বিলের পানি নিষ্কাশন না হয়ে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে।
স্থানীয় জমির মালিকগন বলেন বিভিন্ন দপ্তরে প্রতিকার চেয়েও আমরা প্রতিকার পাইনি পরে দীর্ঘদিন আমরা জমির মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি । খাল বন্দোবস্ত কারি এনছার আলির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন খাল আমার বন্দোবস্ত নেওয়া যার দলিল নাম্বার ২৭ ৮৪/৯৪ দাগ নং-এস,এ, খতিয়ান ৯০৪-হাল দাগ-৯৪৩ তিনি বলেন আমি বন্দোবস্ত নিয়েছি আমার জায়গায় আমি মাছ চাষ করবো কি ঘর বাড়ি নির্মাণ করবো সেটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত।
কালের সমাজ/ সাএ
আপনার মতামত লিখুন :