ঢাকা শনিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
ধানের শীষের

মনোনয়ন প্রত্যাশি ফকরুল আলমের বিকল্প ভাবতে পারছেনা ভোটাররা

পিরোজপুর প্রতিনিধি মার্চ ২৩, ২০২৫, ০৩:৩৬ পিএম মনোনয়ন প্রত্যাশি ফকরুল আলমের বিকল্প ভাবতে পারছেনা ভোটাররা

দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই কাছে আসছে ডিসেম্বর মাস। আর ডিসেম্বর মানেই আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাঢোল। এমনটাই ভাবছেন, ভান্ডারিয়া,কাউখালি,নেছারাবাদ নিয়ে গঠিত(পিরোজপুর-২) আসনের সাধারন ভোটাররা। 

যদিও এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী ঘোষিত হলেও এখনো নির্ধারন করেনি বিএনপি। কেন্দ্র থেকে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা না হলেও, এখানে ভিতরে ভিতরে নির্বাচনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন দলটির সম্ভাব্য একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশিরা। যার মধ্য নেছারাবাদ উপজেলার দানবির মরহুম আলহাজ্ব আব্দুর রহমানের ছেলে মো:  ফকরুল আলমের নাম নাম না বললেই নয়। দলের কেন্দ্র থেকে নিজ আসনের তৃণমুল পর্যন্ত যার রয়েছে শক্ত একটি বলয়। এ আসনে পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো: ফকরুল আলম এর বিকল্প ভাবতে পারছেনা নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা।

জানাগেছে, ভান্ডারিয়া,কাউখালি ও নেছারাবাদ নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ আসন। এ আসনটি গঠিত হওয়ার পর থেকে কেন্দ্র থেকে সঠিক প্রার্থী নির্ধারন করতে না পারা, দলের ভিতরে অভ্যন্তরীন কোন্দল সহ নানান কারনে হাতছাড়া বিএনপির এ আসন। আসনটির ভান্ডারিয়া,কাউখালি দুই উপজেলার ভোটার মিলিয়ে প্রায় দ্বিগুন ভোটার রয়েছে নেছারাবাদ উপজেলায়। তাই এ উপজেলার সাধারন ভোটার সহ দলের নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী দিবে কেন্দ্র এমনটাই আশা করেছেন এখানকার ভোটাররা। সে হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন ব্যবসায়ি ফকরুল আলম। তাই এই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন চাইবেন মো: ফকরুল আলম। ফকরুল আলম নেছারাবাদ উপজেলার দানবির মরহুম আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে বি,এ(অনার্স) এবং এম.এ কমপ্লিট করেছেন।

নেতা-কর্মীরা বলেছেন, ১৯৮০ সাল থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে উপজেলা বিএনপির আহবায়কের দায়িত্ব পর্যন্ত পালন করেছেন বিএনপির র্দুদিনের নেতা মো: ফকরুল আলম। দলের র্দুদিনে কঠিন ঢাল হয়ে পাহারা দিয়েছেন সাধারন নেতা-কর্মীদের। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের মামলা হাৃলায় পাশে থেকেছেন নেতাকর্মীদের। নেতা-কর্মীরা বলেন, ৫ আগষ্টের পূর্বে নেছারাবাদ উপজেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত কোন কর্মকান্ডে বর্তমানের অনেক নেতা-কর্মীদের দেখা যায়নি। সে সময়ে পুলিশি হামলা,মামলা উপেক্ষা করে ফকরুল আলম কেন্দ্রীয় ঘোষিত সকল কর্মকান্ড পালন করেছেন। তাই তাদের দাবি এই আসনে ফকরুল আকমকে মনোনয়ন দিলে বিএনপি আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়লাভ করবে।

দলীয় সূত্রে জানাগেছে, মেধাবি রাজনীতিবিদ ফকরুল আলম ১৯৮০ সালে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যোগদান করেন। ১৯৮২ সালে ছাত্রদলের ব্যানারে ডাকসু নির্বাচনে অংশ করে ১৯৮৬ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন নিজ উপজেলা ও জেলা বিএনপির ভিবিন্ন পদে। কেন্দ্রীয় এ নেতার নেতৃত্বে ২০১২ সালে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বরিশালের জনসভায় দশ হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে যোগদান করা হয়। ২০০১ এবং ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন চেয়ে না পেয়েও দলের দু:সময়ে রাজপথে সক্রিয় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন নিরলসভাবে।

এ বিষয়ে পিরোজপুর-২ আসনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশি মো: ফকরুল আলম বলেন, ১৯৮০ সাল থেকে রাজনীতি শুরু করেছি। কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে নিজ উপজেলা এবং জেলা বিএনপির গুরুপ্তপূর্ন অনেক পদে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছি। দলের দু:সময়ে অনেক নেতাকে দেখিনি। এখন নেতার অভাব নেই। তারপরও পিরোজপুর-২ আসন বিএনপির ভোট ব্যাংক হিসিবে পরিচিত। আসনে সঠিক প্রার্থী না দিতে পারা,নিজের মধ্য অভ্যন্তরীন কোন্দল সহ নানা কারনে এখান থেকে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সুবিধা নিয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং জনাব তারেক রহমান যাকেই মনোনয়ন দিবে আমারা দলের স্বার্থে দেশের স্বার্থে এক হয়ে কাজ করতে রাজি।

 

কালের সমাজ// এ.জে

Side banner