“দীর্ঘ ১৭ বছর সাংবাদিকদের কাছাকাছি থাকলেও আমরা এভাবে একত্রিত হতে পারিনি কখনও। পারিনি মন খুলে প্রাণের কথা বলতে। চিরচেনা হয়েও আমরা যেন ছিলাম চির অচেনা। আমাদের কথা বলার অধিকার ছিল না। ছিল না সত্য কথা জাতির সামনে তুলে ধরার অধিকার।”
সাতক্ষীরার সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) শহরের নিউমার্কেট সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে উক্ত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
শহিদুল ইসলাম মুকুল আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের পর শত শহীদের বিনিময়ে আমরা আবার এক হতে পেরেছি। আমরা কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছি। পেয়েছি স্বাধীনভাবে লেখার অধিকার। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের পাশে যেন জুলাই বিপ্লবের শহীদদে নাম লেখা হয়। আমরা ৫৩ বছরে স্বাধীনতার ফসল ঘরে তুলতে পারিনি। সুযোগ এসেছে স্বাধীনতার সেই সোনার ফসল ঘরে তোলার। আমারা সুখী, সমৃদ্ধশালী, উন্নত এক শান্তিময় বাংলাদেশ কায়েম করতে চাই। যেখানে থাকবে না হিংসা, হানাহানি। থাকবে না কোনো বৈষম্য। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই।”
জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওবায়দুল্লাহর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আ.ন.ম আবু সাঈদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যাণার্জী, এ.টি.এন বাংলার এম. কামরুজ্জামান, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের আবুল কাশেম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুক, শহর জামায়তের আমির মো. জাহিদুল ইসলাম বকুল, সাংবাদিক এড. এ.বি.এম সেলিম প্রমুখ।
ইফতার মাহফিলে জেলা শহরে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় সাংবাদিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে পারস্পারিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিময় মিলনমেলায় পরিণত হয়।
কালের সমাজ// এ.জে
আপনার মতামত লিখুন :